The bengali blog Ajaatsatru expresses its real life experiences in philosophical view. Also expresses its thinkings about religious, philosophic, social culture or principles in real life view. অজাতশত্রু বাংলা ব্লগ : বাস্তব জীবনে অভিজ্ঞতা দর্শনের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রকাশ। বাস্তব জীবনে পালনীয় ধর্মীয়, দার্শনিক ও সামাজিক সংস্কৃতি বা রীতি-নীতি সম্পর্কে চিন্তাভাবনার প্রকাশ।ভারতীয় আধ্যাত্মিক দর্শনের বিভিন্ন পদক্ষেপ।
Saturday, June 27, 2020
Thursday, June 25, 2020
Tuesday, June 23, 2020
Monday, June 22, 2020
Sunday, June 21, 2020
Wednesday, June 17, 2020
Sunday, June 7, 2020
তারে ধরি ধরি মনে করি, ধরতে যাবার (মনের) জোর পাইনা
প্রারব্ধের স্থিতিস্থাপক সুতোটা কিছুতেই সেইদিকে যেতে দেয় না, যেদিকে গেলে মনটা শান্তি পায়। কারন প্রারব্ধ সম্পূর্ণ ক্ষয়প্রাপ্ত
হয়নি।
প্রারব্ধ যেহেতু কিছু
কর্মেচ্ছা আর কিছু পাওয়ার ইচ্ছা যোগ করে সৃষ্টি হয়েছে, তাই তার কর্মস্থল এই পৃথিবীর বাহ্য জগত। যার অধ্যাত্মিক ক্রিয়াভুমি মুলাধার। তাই যতক্ষণ প্রারব্ধের স্থুল অংশ বর্তমান ততক্ষণ পার্থিব পাওয়া না পাওয়া থাকবে। আর সাধারন মানুষের এই পাওয়া না পাওয়া থেকেই পুনরায় নতুন প্রারব্ধ সঞ্চয় হতে থাকে। এর থেকে পরিত্রানের পথ মুলাধারের জাগরন। আর এটা হয়ে গেলে কোন পার্থিব ইচ্ছা বা বন্ধন অর্থাৎ কর্ম বন্ধন সৃষ্টি হতে চায় না। কিন্তু যদি সে সময় ইহলোকের দায়িত্ব কর্তব্য শেষ না হয়ে থাকে, তাহলে সে সময় মনের এক অদ্ভুত টানা পোড়েন উপস্থিত হয়। কারন এ সময় পার্থিব কোন কিছুতেই আকর্ষণ বোধ হয় না।
তাই
"আট কুঠুরি নয় দরজা" সম্বলিত স্বর্ণ মানিক্য খচিত গগনচুম্বী অট্টালিকাটি তৈরি কর, করে ফেলে রাখ, কিন্তু গৃহপ্রবেশ করনা। কারন ভাড়া বাড়িতে যে সংসার পেতেছ, তার প্রতি কর্তব্য শেষ না করে নিজ গৃহে প্রবেশ করলে না পারবে সেখানে থাকতে, আবার না পারবে ফিরে এসে ভাড়া বাড়িতে বেশিদিন থাকতে।
ভাড়া বাড়িতে দুটি "কারন" তোমায় বেঁধে রাখে, ১) কর্তব্য, ও ২) আকর্ষণ বা পাওয়ার ইচ্ছা। গৃহপ্রবেশ করে ফেললে আকর্ষণ বিকর্ষণে পরিনত হবে ঠিকই, কিন্তু কর্তব্য থেকেই যাবে। এই কর্তব্য সময়ের আগে শেষ হতে পারে কিন্তু তার জন্য অট্টালিকার ওপর তলার ঘর গুলোতেও ঢুকতে হয়। এখন শুধুমাত্র গৃহপ্রবেশেই যদি উভয় স্থানে থাকা না থাকায় দড়ি টানাটানি উপস্থিত হয় তাহলে আরও অন্যান্য ঘর গুলো ঘুরতে শুরু করলে যা ঘটবে তা যে খুবই অস্বস্তিকর হয়ে দাঁড়াবে তার আর বলে দিতে হয় না।
তাই
দেরি হলেও সুষ্ঠু ভাবে সমস্যা বর্জিত অবস্থায় পৌঁছে আমার আমিকে চিনতে পারাই ভাল।
তাই প্রতিদিনের কর্মসকলের বিশ্লেষণ ও তার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষাই ততদিন পর্যন্ত মনকে আচ্ছন্ন করে রাখুক যতদিন না সেই মাহেন্দ্রক্ষণ এসে উপস্থিত হয়। এভাবেই কর্মযোগের মধ্যে থেকে এগিয়ে গেলে কর্মই জ্ঞানের আলো জ্বেলে দেবে। কিন্তু হাতে যুক্তি রূপী দেশলাই কাঠিটা থাকতে হবে।
Tuesday, June 2, 2020
জনৈক শুভাকাঙ্ক্ষীর অনুরোধে ২০১৪ সালের একটি ডায়েরি থেকে ...
জীবন দর্শনের একটা ছেঁড়া পাতা:
(১)
দু - এক দিন আগে একটি জাতীয় সংবাদপত্রের আলোচনা ধর্মী পাতায় দেখলাম জনৈক লেখক লিখেছেন সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে। আমেরিকার দুই রাষ্ট্রপতির হত্যারহস্য নিয়ে বিভিন্ন ভাবে দিন, বার, বছর ও অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, যে আমাদের জীবনে ভাগ্যের চাইতে সংখ্যাতত্ত্বের গুরুত্বই বেশী। লেখাটা ছোটো হলেও মন ছুঁয়ে গেলো, কিন্তু লেখাটির শেষ অংশে এসে ভাগ্য সম্পর্কে লেখকের মত সেভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হলনা। এভাবে বিচার করতে গেলে জীবনের বিভিন্ন ঘটনা আলাদা আলাদা ভাবে আলাদা আলাদা মতাদর্শের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। যেহেতু লেখাটি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে লেখা, তাই মনে হয় এ লেখাটি সেই সরলমতি বালকগণের মনে ভিন্ন ভিন্ন চিন্তাভাবনার জন্ম দেবে। কারণ প্রত্যেক শিশুরই জীবনাদর্শ গড়ার পথে প্রথমে পিতামাতার কাছেই হাতেখড়ি। এরপর তার শিক্ষাগুরুর কাছ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এবং আত্মীয় - স্বজন, বন্ধু - বান্ধবদের সাথে পথচলার অভিজ্ঞতা তার মনে ও ব্যক্তিত্বে সুদুরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাই ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই কঠোর বাস্তববাদী হতে পারে।
বস্তুত যারা ভাগ্যবিশ্বাসী, তারাও ভাগ্যের অধীন, যারা ভাগ্য মানেনা, তারাও ভাগ্যের অধীন। এখন কথা হলো, ভাগ্য বলতে আমরা যা বুঝি বা বোঝাই সেটাই সঠিক কিনা। আসলে ভাগ্য বলতে আমরা সেটাই বুঝি, আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া যে ঘটনা আমাদের দুঃখ দেয়। তাহলে যে ঘটনা আমাদের আনন্দ সুখ প্রদান করে তাকে কি আমরা ভাগ্য বলিনা ? না, সাধারণ ভাবে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাকে আমরা আমাদের সাফল্য বলতেই অভ্যস্ত, অর্থাৎ আমরা এটাই ভাবি যে এটা আমাদের প্রচেষ্টার ফল। এখানেই আমাদের জীবনদর্শন ভুল পথে চালিত হতে শুরু করে। অর্থাৎ আমাদের ফলাফল ভালো হলে তা যেন সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের কৃতিত্ব আর ফলাফল খারাপ হলে তা নিতান্তই ভাগ্যের পরিহাস। ব্যাপারটা কি খুব হাস্যকর নয় ?
------ সত্যসন্ধানী
….......…(চলবে)
মাতৃস্নেহ
যবে আসি কহিলে সে শৃঙ্খলমোচনে,
অজ্ঞান, কহিল সে রাখো মোরে বন্ধনে,
অনিচ্ছাতেও অন্তিমে আসিল সমন
প্রারম্ভিকে মোহ মোরে কহিল আসিয়া
"বলি কী করো, কোথা যাও, এ স্বর্গ ছাড়ি";
ঝড়ালো বেদানাস্রু, বার্তা কর্নে পশিয়া;
কাটিল মহাঘোর, শুভক্ষণ আসিয়া;
অশ্রু কহিল -"আনন্দ, নহে এ বেদনা"।।
-- হরি ওম তৎসৎ ।
Subscribe to:
Posts (Atom)