জীবন দর্শনের একটা ছেঁড়া পাতা:
(১)
দু - এক দিন আগে একটি জাতীয় সংবাদপত্রের আলোচনা ধর্মী পাতায় দেখলাম জনৈক লেখক লিখেছেন সংখ্যাতত্ত্ব নিয়ে। আমেরিকার দুই রাষ্ট্রপতির হত্যারহস্য নিয়ে বিভিন্ন ভাবে দিন, বার, বছর ও অন্যান্য তথ্যের মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, যে আমাদের জীবনে ভাগ্যের চাইতে সংখ্যাতত্ত্বের গুরুত্বই বেশী। লেখাটা ছোটো হলেও মন ছুঁয়ে গেলো, কিন্তু লেখাটির শেষ অংশে এসে ভাগ্য সম্পর্কে লেখকের মত সেভাবে গ্রহণযোগ্য মনে হলনা। এভাবে বিচার করতে গেলে জীবনের বিভিন্ন ঘটনা আলাদা আলাদা ভাবে আলাদা আলাদা মতাদর্শের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়। যেহেতু লেখাটি ছাত্রদের উদ্দেশ্যে লেখা, তাই মনে হয় এ লেখাটি সেই সরলমতি বালকগণের মনে ভিন্ন ভিন্ন চিন্তাভাবনার জন্ম দেবে। কারণ প্রত্যেক শিশুরই জীবনাদর্শ গড়ার পথে প্রথমে পিতামাতার কাছেই হাতেখড়ি। এরপর তার শিক্ষাগুরুর কাছ থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এবং আত্মীয় - স্বজন, বন্ধু - বান্ধবদের সাথে পথচলার অভিজ্ঞতা তার মনে ও ব্যক্তিত্বে সুদুরপ্রসারী প্রভাব ফেলে। তাই ছাত্রছাত্রীদের অনেকেই কঠোর বাস্তববাদী হতে পারে।
বস্তুত যারা ভাগ্যবিশ্বাসী, তারাও ভাগ্যের অধীন, যারা ভাগ্য মানেনা, তারাও ভাগ্যের অধীন। এখন কথা হলো, ভাগ্য বলতে আমরা যা বুঝি বা বোঝাই সেটাই সঠিক কিনা। আসলে ভাগ্য বলতে আমরা সেটাই বুঝি, আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া যে ঘটনা আমাদের দুঃখ দেয়। তাহলে যে ঘটনা আমাদের আনন্দ সুখ প্রদান করে তাকে কি আমরা ভাগ্য বলিনা ? না, সাধারণ ভাবে আমরা অধিকাংশ ক্ষেত্রে তাকে আমরা আমাদের সাফল্য বলতেই অভ্যস্ত, অর্থাৎ আমরা এটাই ভাবি যে এটা আমাদের প্রচেষ্টার ফল। এখানেই আমাদের জীবনদর্শন ভুল পথে চালিত হতে শুরু করে। অর্থাৎ আমাদের ফলাফল ভালো হলে তা যেন সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের কৃতিত্ব আর ফলাফল খারাপ হলে তা নিতান্তই ভাগ্যের পরিহাস। ব্যাপারটা কি খুব হাস্যকর নয় ?
------ সত্যসন্ধানী
….......…(চলবে)
Awesome 👍👍👍👍. Mind-blowing.
ReplyDeleteWhen the next is coming up?
Porer part ta kobe pabo, opekkhay achi.
ReplyDeleteAkti prosno ...pathirbo sofolota ki ? Tahole tar ki kono ostitto nei ...jodi thake setake ki vabe opathirber prapti te kaje lagabo.
ReplyDelete